বাংলাদেশের সড়ক যোগাযোগ, রেল ও নৌপথের আধুনিকায়নে দক্ষিণ কোরিয়ার উন্নত প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, এমপি।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দক্ষিণ কোরিয়ার অত্যাধুনিক ট্রাফিক ও ডিজিটাল টোলিং ব্যবস্থাপনা সরেজমিনে পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন। দেশটির ‘কোরিয়া এক্সপ্রেসওয়ে ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী এসব প্রযুক্তির কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।পরিদর্শনকালে কোরিয়ার এক্সপ্রেসওয়েতে ব্যবহৃত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ‘ইন্টেলিজেন্ট ট্রান্সপোর্টেশন সিস্টেম (ITS)’, যানজট কমানো ও দুর্ঘটনা হ্রাসে কার্যকর ‘স্মার্ট ট্রাফিক সিস্টেম (STS)’ এবং বিরতিহীন ও দ্রুত টোল আদায়ের ‘ইলেকট্রনিক টোলিং সিস্টেম (ETS)’ সম্পর্কে মন্ত্রীকে বিস্তারিত অবহিত করা হয়।এসব ব্যবস্থার প্রযুক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রমও পরিদর্শন করেন তিনি। একই সফরে শেখ রবিউল আলম কোরিয়ার কেন্দ্রীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি হাব ‘কোরিয়া ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন সেন্টার’ পরিদর্শন করেন।সেখানে প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশটির সামগ্রিক যোগাযোগব্যবস্থাকে একটি সমন্বিত নেটওয়ার্কের আওতায় আনার প্রক্রিয়া সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন মন্ত্রী।পরিদর্শন শেষে শেখ রবিউল আলম বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং স্মার্ট যোগাযোগ অবকাঠামো গড়ে তুলতে এ ধরনের সমন্বিত ও আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজন অত্যন্ত জরুরি। দক্ষিণ কোরিয়ার মডেল বাংলাদেশের যোগাযোগ খাতের ডিজিটাল রূপান্তরে কাজে লাগানো হবে।সফরকালে মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতিনিধিরা মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।তথ্যসূত্র: যায়যায়দিন, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬