কারিগরি ত্রুটি এবং জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্নের কারণে দেশের দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ থাকায় জাতীয় গ্রিড থেকে প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে গেছে। এর ফলে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং বেড়েছে। তবে আগামী দুই দিনের মধ্যেই পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।রোববার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ তথ্য জানান।মন্ত্রী বলেন, দেশের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের বয়লারের টিউবে লিকেজ ধরা পড়ায় নিরাপত্তার স্বার্থে উৎপাদন বন্ধ রাখতে হয়েছে। অন্যদিকে বঙ্গোপসাগরে বৈরী আবহাওয়া ও উত্তাল সমুদ্রের কারণে কয়লাবাহী জাহাজ থেকে কয়লা খালাস করা সম্ভব না হওয়ায় আরেকটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রেও উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।তিনি বলেন, “এই দুটি কারণে জাতীয় সঞ্চালন ব্যবস্থায় প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং দিতে হচ্ছে, ঢাকাতেও এর প্রভাব পড়বে।”পরিস্থিতিকে একটি জাতীয় সংকট হিসেবে উল্লেখ করে বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, “এ সংকট মোকাবিলায় আমাদের সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। আমরা আশা করছি, আগামী দুই দিনের মধ্যেই বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর সমস্যা সমাধান হবে। উৎপাদন স্বাভাবিক হলে লোডশেডিংয়ের প্রকোপও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।”তিনি আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে আলোচনা করে সংসদে বক্তব্য প্রদান করেছেন।