খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের মাসিক সম্মানী ভাতা বৃদ্ধির প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট উপস্থাপনকালে তিনি এ প্রস্তাব ঘোষণা করেন।প্রস্তাব অনুযায়ী, খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের মাসিক সম্মানী ভাতা পাঁচ হাজার টাকা বৃদ্ধি করা হবে। এতে বীরশ্রেষ্ঠ পরিবারের মাসিক ভাতা ৪০ হাজার টাকা, বীর উত্তম পরিবারের ৩০ হাজার টাকা এবং বীর বিক্রম ও বীর প্রতীক পরিবারের ২৫ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।তবে সাধারণ মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানী ভাতা আগের মতো ২০ হাজার টাকাই বহাল রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি উৎসব ভাতা, বাংলা নববর্ষ ভাতা, চিকিৎসাসেবা এবং দাফনের জন্য আর্থিক অনুদানসহ বিদ্যমান অন্যান্য সুবিধা অব্যাহত থাকবে বলে বাজেটে উল্লেখ করা হয়েছে।বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের আবাসন নিশ্চিত করতে আগামী অর্থবছরে আরও ৪ হাজার ৭৩০টি ‘বীর নিবাস’ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের তথ্য অনুযায়ী, মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর প্রকাশিত গেজেটের মাধ্যমে ৭ জনকে বীরশ্রেষ্ঠ, ৬৮ জনকে বীর উত্তম, ১৭৫ জনকে বীর বিক্রম এবং ৪২৬ জনকে বীর প্রতীক খেতাব প্রদান করা হয়।এদিকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের জন্য চলমান মাসিক ভাতাও অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। বর্তমানে শহীদ পরিবারগুলোকে মাসিক ২০ হাজার টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া আহতদের এ, বি ও সি ক্যাটাগরি অনুযায়ী যথাক্রমে ২০ হাজার, ১৫ হাজার এবং ১০ হাজার টাকা করে মাসিক ভাতা প্রদান করা হচ্ছে।আগামী অর্থবছরে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ভাতাভোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৮৫৭ জন বৃদ্ধি করে মোট ১৬ হাজার ৫১৩ জনে উন্নীত করার প্রস্তাব করা হয়েছে।